খবরাখবর

লালকেল্লা বিস্ফোরণ: জাসির বিলালের ১০ দিনের NIA হেফাজত

দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের ষড়যন্ত্রের ঘটনায় আদালত এবার মূল অভিযুক্তদের মধ্যে একজন জাসির বিলাল ওয়ানিকে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)-এর হেফাজতে পাঠাল। মঙ্গলবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টের বিশেষ বিচারক জাসির বিলালকে ১০ দিনের জন্য NIA হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

তদন্তকারী সংস্থা NIA জাসির বিলাল ওয়ানিকে এই ষড়যন্ত্রের একজন ‘সক্রিয় সহ-ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সোমবার অর্থাৎ ১৭ নভেম্বর শ্রীনগর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। NIA-এর অভিযোগ, বিলাল পরিকল্পিত হামলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছিল।

NIA-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের আগে জাসির বিলাল ড্রোন পরিবর্তন (Modifying Drones) এবং রকেট তৈরির উপায় (Fabricating Rockets) অনুসন্ধানে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, বিলাল কথিত আত্মঘাতী হামলাকারী উমর-উন-নবী-র সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করে কাজ করেছে এবং এই ‘সন্ত্রাসমূলক হত্যাকাণ্ডের’ কার্য পরিচালনার প্রস্তুতিতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সংস্থাটি তাকে ষড়যন্ত্রের শৃঙ্খলের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র হিসেবে বর্ণনা করেছে।

উল্লেখ্য, এই মামলার সঙ্গে জড়িত আরেক অভিযুক্ত, আমির রশিদ আলীকে, গত ১৬ নভেম্বর দিল্লি আদালত NIA হেফাজতে পাঠিয়েছিল। আমির রশিদ আলী সেই বিস্ফোরক-বোঝাই গাড়িটি জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল, যা ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। ওই ভয়াবহ হামলায় ১৩ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।

NIA এই হামলার পেছনের বৃহত্তর নেটওয়ার্কটি খুঁজে বের করার জন্য দিল্লি পুলিশ, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, হরিয়ানা পুলিশ, উত্তর প্রদেশ পুলিশ এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সাথে সমন্বয় বজায় রেখে তদন্ত চালাচ্ছে।

ট্যাগ: লালকেল্লা বিস্ফোরণ, NIA, জাসির বিলাল ওয়ানি, ১০ দিনের হেফাজত, দিল্লি কোর্ট, উমর-উন-নবী, ড্রোন, প্রযুক্তিগত সহায়তা, আমির রশিদ আলী, সন্ত্রাস।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button