খবরাখবর

সবরিমালা সোনা তছরুপ মামলা: FIR-এর কপি না পাওয়ায় কেরল হাইকোর্টের দ্বারস্থ ED

কেরল হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। তারা সবরিমালা মন্দিরে সোনা তছরুপের মামলায় ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (FIR) এবং ফার্স্ট ইনফরমেশন স্টেটমেন্টের (FIS) প্রত্যয়িত কপি দেওয়ার জন্য নিম্ন আদালতের (বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট, রান্নি) অস্বীকৃতির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।

ED-এর মূল যুক্তি হলো, নিম্ন আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে তারা অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (PMLA, 2002) এর অধীনে একটি স্বাধীন তদন্ত শুরু করতে বাধা পাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সংস্থাটি দাবি করেছে যে এই মামলায় আর্থিক অসঙ্গতি এবং সোনার তছরুপের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যা PMLA তদন্তের আবশ্যকতা সৃষ্টি করে।

এই মামলাটি সবরিমালা মন্দিরের ‘শ্রীকোভিল’-এর দিকে যাওয়ার দরজার ফ্রেম ও মূর্তিগুলির প্লেট থেকে বহু কিলোগ্রাম সোনা নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ সম্পর্কিত। মেরামতের জন্য পাঠানো এই সোনা প্রধান অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণান পোট্টি-সহ অন্যান্যদের দ্বারা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ED-এর মতে, এই কাজগুলি ভারতীয় দণ্ডবিধি (IPC) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন (PC Act)-এর অধীনে গুরুতর অপরাধ, যা PMLA-এর অধীনে ‘তালিকাভুক্ত অপরাধ’ (scheduled offences) হিসেবে গণ্য হয়।

নিম্ন আদালত ED-এর আবেদন খারিজ করে দেয় এই কারণ দেখিয়ে যে, হাইকোর্ট মামলার সংবেদনশীলতার কারণে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

তবে ED তাদের আবেদনে জানিয়েছে, নিম্ন আদালত হাইকোর্টের নির্দেশের ভুল ব্যাখ্যা করেছে। হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশটি কেবল সংবাদমাধ্যমের সমান্তরাল তদন্ত বা প্রচার বন্ধ করার জন্য ছিল, কিন্তু PMLA-এর মতো বিশেষ আইনের অধীনে পৃথক তদন্তে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। ED তাদের স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল জয়শঙ্কর ভি নায়ারের মাধ্যমে এই আবেদনটি ফাইল করেছে এবং এখন মামলাটি হাইকোর্টে বিচারাধীন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button